সাক্ষাৎকার

সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৪, ৭:৪৪ অপরাহ্ন

ইসরাইলকেও পরাজিত করা যায় : সুজা

নিউজ পেজ ডেস্ক

সাক্ষাৎকারে সাইফুল আযম





আরব-ইসরাইল যুদ্ধে বাংলাদেশি কিংবদন্তি সাইফুল আযম বলেছেন, সর্বশেষ গাজা যুদ্ধে ফিলিস্তিন এবং তাদের প্রতিরোধের জয় হয়েছে। আগে যুদ্ধ শুরু হলে ক’দিন পরই ফিলিস্তিনিরা আত্মসমর্পণ করত। কিন্তু এবার তারা আত্মসমর্পণ না করে শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছে। তারা প্রমাণ করতে পেরেছে যে, ইসরাইল অপরাজেয় নয়, তাদেরও পরাজিত করা যায়।


বুধবার গুলশানে নিজস্ব কার্যালয়ে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।


বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা নিয়ে কিংবদন্তি এ সমরনায়ক বলেন, আমি মনে করি না কেউ বাংলাদেশ দখল করে নেয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেবে, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে আনবে। বাংলাদেশ যদি কখনো আক্রান্ত হয়, জনগণের সম্পৃক্ততায় গেরিলা যুদ্ধেই সফলতা আসবে। অনেকটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো। এর আরেক উদাহরণ ভিয়েতনাম।


সাক্ষাৎকারে তিনি মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সামরিক ও রাজনৈতিক দিক, বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে খোলামেলা অনেক কথাই বলেছেন। পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো-


প্রশ্ন : কেমন আছেন স্যার?

সাইফুল আযম: বৈমানিকের ভাষায় আমার এখন ডিপারচার লাউঞ্জ অবস্থা। আই মিন গোয়িং টু আল্লাহ। ফের হার্ট স্ট্রোক হয়েছে। আগেই বাইপাস সার্জারি করা, চিকিৎসক বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন। বলতে পারো- আল্লাহর কাছে যাওয়ার পথে।


প্রশ্ন : আপনার সঙ্গে যখন কথা বলছি, তখন পৃথিবীজুড়ে সশস্ত্র সংঘাত মনে হয় যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ পর্যায়ে। আল-কায়েদা হুমকিতে বাংলাদেশ। আপনার মূল্যায়ন কী?

সাইফুল আযম: যুদ্ধ তো হবেই। তবে যুদ্ধ প্রাকৃতিক নিয়মে সৃষ্টি হচ্ছে না, বরং খারাপ নেতৃত্বের কারণেই এটি হয়ে থাকে। পৃথিবীর সব জায়গাতেই খারাপ নেতৃত্বের কারণেই এটি হয়ে থাকে। যুদ্ধটা যার আছে (হ্যাভ) এবং যার নাই (হ্যাভ নট) এ দুয়ের মধ্যেও হয়। এছাড়া মোড়ল শ্রেণীর জন্য সুবিধা দিতে এবং পিছিয়ে পড়াদের আরো শোষণ করার জন্যও যুদ্ধ হয়ে থাকে। এজন্য সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন একটি বড় বিষয়। আপনি কেমন নেতৃত্ব নির্বাচন করছেন তা খেয়াল রাখতে হবে।


প্রশ্ন : গাজা ও ইসরাইল যুদ্ধ সামাজিক যোগাযোগ সাইটে আপনি ফের আলোচনায়। আরব-ইসরাইল যুদ্ধে আপনার বীরত্বগাঁথা নিয়ে কিছু বলুন।

সাইফুল আযম: আসলে এখানে নিজেকে জাহির করার কিছু নেই। আল্লাহ চেয়েছেন বলেই আমিই সফল হয়েছি, এর বাইরে কিছু নয়। শত্রুর বিমান ছিল আমার বিমানের চেয়ে অনেক আধুনিক। আমার মৃত্যুর জন্য তাদের একটি লক্ষ্যভেদী হামলাই যথেষ্ট ছিল।


প্রশ্ন : সম্মুখযুদ্ধের এই সফলতার পেছনে কোন জিনিসটি আপনাকে এমন আত্মবিশ্বাসী করেছিল?

সাইফুল আযম: দেখ, এখানে আত্মবিশ্বাসের কিছু নেই। এটা ছিল একটা প্র্যাকটিস ফল মাত্র। আর মৃত্যুকে আমি কখনো ভয় করতাম না। আমি বিশ্বাস করতাম- আল্লাহ যে সময়ে মৃত্যু রেখেছেন, তখনই আমার মৃত্যু হবে। আমি চেষ্টা করেছি, আল্লাহ তা পূরণ করে দিয়েছেন। তবে একে আমি কখনোই ‘জিহাদ’ বলে মনে করতাম না। কারণ এ শব্দটার ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হচ্ছে, অথচ এর মানে হলো চেষ্টা করা।


প্রশ্ন : সর্বশেষ গাজা-ইসরাইল যুদ্ধের জয়-পরাজয় নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

সাইফুল আযম: এ যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে ফিলিস্তিনের সাধারণ মানুষ। এতে ২২শ’র বেশি ফিলিস্তিনি মারা যায়। অন্যদিকে ৬৬ জন ইসরাইলি সেনা মারা যায়। সম্প্রতি কোনো যুদ্ধে এত ইসরাইলি সেনা মারা যায়নি। এটি আগের অন্য সকল যুদ্ধের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর ছিল ইসরাইলিদের জন্য।


যুদ্ধের পর হামাস এবং ইসরাইল দুপক্ষই নিজেদের জয়ী দাবি করেছে। তবে আমি বলবো- এ যুদ্ধে হামাস নয়, ফিলিস্তিনি এবং তাদের প্রতিরোধের জয় হয়েছে। আগে যুদ্ধ শুরু হলে ক’দিন পরই ফিলিস্তিনিরা আত্মসমর্পণ করত। কিন্তু এবার আত্মসমর্পণ না করে শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছে হামাস। ৬৬ জন ইউনিফর্মধারী সেনা হত্যা কম কথা নয়। এখন তারা পুরোপুরি যোদ্ধা হয়ে গেছে। অন্তত আরবরা উপলব্ধি করতে পেরেছে যে, হ্যাঁ, যুদ্ধ করা যায়। তারা এটা প্রমাণ করতে পেরেছে যে, ইসরাইলও অপরাজেয় নয়, তাদেরও পরাজিত করা যায়।



প্রশ্ন : যুদ্ধ শুরু হলে তা আরব আর ইসরাইলিদের মধ্যে থাকে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইসরাইলের সঙ্গে যোগ দেয়। বিপরীতে আরব দেশগুলো কিন্তু ফিলিস্তিদের সহযোগিতা করে না। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?

সাইফুল আযম: এখানের যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের রয়েছে কৌশলগত স্বার্থ আর আরবদের রয়েছে ক্ষমতার রাজনীতি। বাইরের স্বার্থ আর রাজনীতির ভুক্তভোগী হচ্ছে ফিলিস্তিনের জনগণ।


আমেরিকা ইসলামের শত্রু , বিষয়টি আসলে তা নয়। আর সব আমেরকিান খারাপ না। এবার গাজার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের অনেকস্থানে বড় বড় বিক্ষোভ হয়েছে। তারা ইসরাইলি হামলায় নারী-শিশুসহ নিরীহ ফিলিস্তিনিদের হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছে। মূলতঃ আরব বিশ্বে কৌশলগত স্বার্থ হাসিলে ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে আরবের তেল সম্পদের ওপর তাদের নজর রয়েছে।


এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র নিজেও অনেকটা ইহুদিদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। বিশেষ করে অর্থনীতি এবং রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদিদের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। আর মিডিয়াতে ইহুদিরা অনেকটা একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছে। এসব বিষয়ও এখানে কাজ করে।


অন্যদিকে, ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক রাজনৈতিক স্বার্থে আরব দেশগুলো ফিলিস্তিনদের সহযোগিতা করেনি। মধ্যপ্রাচ্যের এখনকার শাসকদের নীতি হলো সিংহাসন রক্ষার নীতি। নির্ধারিত কিছু ব্যক্তিকে সুবিধা দেয়া ও নিজের সিংহাসন রক্ষার জন্যই ইসরাইলের মত দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে আরব নেতারা।


প্রশ্ন : আপনি যখন যুদ্ধ করেছিলেন তখন তা ছিল আরব-ইসরাইল যুদ্ধ। কিন্তু এখন তা গাজা-ইসরাইল যুদ্ধে এসে ঠেকেছে। তাহলে কি আরবরা নিজেদের ভূমির অধিকার ছেড়ে দিতে মানসিকভাবে প্রস্তুত?

সাইফুল আযম: আমি মনে করি বিষয়টি কে জিতবে বা ভূমির অধিকার ছাড়বে কি রাখবে তা নয়। আসল কথা হলো ইসরাইল চায় আরবকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং তেলসহ যাবতীয় প্রাকৃতিক সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে। আরবরাও সিংহাসন বাঁচাতে এতটাই মরিয়া যে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধই করল না কেউ।


দেখবে- ১৯৬৭ সালে মাত্র ৬ দিনের মাথায় আরবরা আত্মসমর্পণ করল। কেউ যুদ্ধ করলো না। কিন্তু আরব বসন্তের পর বিষয়টি অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে যুদ্ধ চলছে। একটি সময় এসব যোদ্ধাদের মধ্যে বোঝাপড়া হবে, এটি তখন ইতিবাচক দিকে রূপ নিতে পারে। হামাসসহ ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধারা আরো শক্তিশালী হবে। একটি পর্যায়ে ইসরাইলকে কোণঠাসা করা যাবে।


প্রশ্ন : ফিলিস্তিন-ইসরাইল ইস্যুর সমাধান সামরিক নাকি রাজনৈতিকভাবে সম্ভব?

সাইফুল আযম: আরবরা সত্যিকারের যোদ্ধা, যেমনটা আমি আমার সহযোদ্ধাদের দেখেছি, তারা খুবই টেলেন্ট। কিন্তু তাদের সামনে কোনো সমন্বিত পরিকল্পনা এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল না বলে তারা সফলতা পায়নি। এরপরেও এই সমস্যার সমাধান অবশ্যই রাজনৈতিকভাবে হতে হবে, সামরিক সমাধান এখন আর হবে না।


ইসরাইলকে মেরে জিতলে লাভ হবে না, বরং তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে বন্ধত্বই হল সবচেয়ে উত্তম। তাহলে লাভ হবে। বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থা এবং এর প্রেক্ষাপটে এ সমস্যার নিরঙ্কুশ সামরিক সমাধান কোনো পক্ষই করতে পারবে না।


প্রশ্ন : সমরশাস্ত্রে যোদ্ধার নৈতিক শক্তিকে সর্বোচ্চ ভাবা হয়। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শান্তি মিশনে যোগদান এই নৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো আশঙ্কা করছেন?

সাইফুল আযম: না, আমি এমনটা মনে করি না। আমাদের আরো বাস্তববাদী হতে হবে। প্রতিটা সেনার জন্য একে আমি একটা সুযোগ বলেই মনে করি, সুযোগটা নিতে হবে। কারণ সকলেই চায় তার স্ত্রী-সন্তানের জন্য ভাল কিছু করে যেতে, যাতে ভবিষ্যতে তাদের অর্থকষ্টে পড়তে না হয়। এটা দোষের কিছু নয়।


প্রশ্ন : সেনাদের নৈতিক শক্তি অটুটে ধর্মের ভূমিকা আছে বলে মনে করেন?

সাইফুল আযম: সেনাদের মোটিভেশনের একটি বিষয় আছে। এক্ষেত্রে ধর্মেরও ভূমিকা আছে। দেখ, ইরাক-ইরান যুদ্ধ ছিল দুটি মুসলিম দেশের মধ্যে, অথচ সেখানে দেখা যায়- ইরাক এবং ইরানের তরুণরা বলছে- মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী। আমরা তো ধর্ম রক্ষায় যুদ্ধ করছি। তাদের ভাষায়, তারা মরছে না, আল্লাহর দাস হয়ে আল্লার নির্দেশ পালন করছে মাত্র।


প্রশ্ন : বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে অস্ত্র তৈরি না করে কেনার প্রবণতা দেখা যায়। কেবল অস্ত্র কিনে স্বনির্ভর ও শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী গড়া সম্ভব?

সাইফুল আযম: অস্ত্র কেনা-বেচাটা হলো একটা ব্যবসা মাত্র। যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে অস্ত্রের ব্যবসা করতে চায় ব্যবসায়ীরা। ভালো লোকদের অস্ত্র লাগে না, অস্ত্র ছাড়াই বুদ্ধির জোরে টেকা যায়।


প্রশ্ন : বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পেশাদার সেনাবাহিনী দিয়ে প্রথাসিদ্ধ নাকি গেরিলা যুদ্ধ অধিক উপযোগী?

সাইফুল আযম: প্রথমত, আমি মনে করি না কেউ বাংলাদেশ দখল করে নেয়ার মতো ভুল সিদ্ধান্ত নেবে, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে তাদের জন্য ভয়াবহ ক্ষতি ডেকে আনবে। বাংলাদেশ যদি কখনো আক্রান্ত হয়, জনগণের সম্পৃক্ততায় গেরিলা যুদ্ধেই সফলতা আসবে। অনেকটা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের মতো। এর আরেক উদাহরণ ভিয়েতনাম।



প্রশ্ন : বিএনপির হয়ে একসময় সংসদ সদস্য ছিলেন। দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন?

সাইফুল আযম: দেখ, সম্প্রতি খন্দকার সাহেব একটা বই লিখেছেন। সত্য অবশ্যই আমাদেরকে বলতে হবে। এ বইের মাধ্যমে সত্য অনেকটা বেরিয়ে এসেছে। যে সরকারই থাকুক না কেন একদিন না একদিন তাদেরকে সত্যের মুখোমুখি হতে হবে এবং সত্য বলতে হবে। সত্য বললে সব ঠিক হয়ে যাবে। এখন আমি বানিয়ে কিছু কথা বলে দিলাম, তা তো হবে না।


বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে যা হচ্ছে তা হলো উভয়ের ভুল বুঝাবুঝি আর স্বচ্ছতার অভাব। যখনই নির্বাচন হয়, জনগণের ভোটের মাধ্যমেই সরকার গঠিত হওয়া উচিত। জনগণ যাদেরকে ভোট দেবে, তারাই সরকার গঠন করবে। কিন্তু জনগণকে তো তাদের ভোটাধিকার দিতে হবে।


রাজনীতিতে সহনশীলতা থাকতে হবে। নিজেদের মধ্যকার বিভক্তি দূর করতে হবে। নেলসন ম্যান্ডেলা ২৮ বছর জেল খেটে বের হয়ে প্রতিপক্ষকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তিনি যদি তা না করতেন তাহলে শুধু সাদারা নয়, কালোরাও বিলীন হয়ে যেত। তাই সবাইকে বুদ্ধিভিত্তিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে এবং বলতে হবে- আমরা আপনাদের শত্রু নই।


প্রশ্ন : বিএনপির আন্দোলন এবং আন্দোলনের সামর্থ্য নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন?

সাইফুল আযম: আমি মনে করি বিএনপি এখন সঠিক পথে আছে। কারণ তাদের দাবিগুলো জনগণেরই দাবি। আর জনগণ ছাড়া তো কিছু করাও যাবে না। জনগণ শুধু বিএনপির জন্য নয় আওয়ামী লীগের জন্যও। জনগণের হয়ে বিএনপি এখন কাজ করছে। তবে জনগণকে বুঝতে হবে তাদের অধিকার আদায়ে সত্যিকারভাবে কে কাজ করছে।


বিএনপির এখন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আগেও বিএনপি সন্ত্রাসী করেনি। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে রাজপথে নামায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়াবাড়িতে কিছু সহিংস ঘটনা ঘটেছিল।


প্রশ্ন : জীবন সায়াহ্নে এসে দেশের কাছে প্রত্যাশা?

সাইফুল আযম: তরুণদের কাছেই আমার যত প্রত্যাশা। তাদেরকে দেশের নেতৃত্বে নিয়ে আসতে হবে। নেতাদের বয়স ৫০ মধ্যে হওয়া উচিত। জ্যেষ্ঠরা তাদের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবে। আমাদের তরুণরা অনেক মেধাবী। তাদেরকে সঠিক গাইডলাইন দিলে অন্যান্য দেশকে পেছনে ফেলে তারা এগিয়ে যাবে।


তরুণদের জন্য তিনটি পরামর্শ-

এক. গালাগাল দেয়া তথা মুখে অশ্লীল শব্দ উচ্চারণ করবে না।

দুই: তুলনামূলক ভালোর সঙ্গে মিশতে হবে। এবং

তিন. বড়দের সম্মান করতে হবে।


প্রশ্ন : আমাদেরকে সময় দেয়ায় আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

সাইফুল আযম: আপনাদেরকে এবং পাঠকেও অনেক ধন্যবাদ।

নিউজ পেজ২৪/ইএইচ