সম্পাদকীয়

মে ১, ২০১৫, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় আস্থার সংকট!

সমালোচনা আর বিতর্কের মধ্য দিয়ে তিন সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শেষ হলো। কিন্তু এই নির্বাচনী মহাযজ্ঞের মাধ্যমে কি পেলাম আমরা!

ঢাকার প্রায় তের বছর পর নগর প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছিল নাগরিকরা। কিন্তু ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে নগর দুটিতে যে ভোট উৎসব হ্ওয়ার কথা তা থেকে বঞ্চিতই রয়ে গেল ভোটাররা।

নির্বাচন উপলক্ষ্যে ছুটির দিনের সকালের আয়েশী মনোভাব কেটে কেন্দ্রে যা্ওয়ার প্রস্তুতির আগেই টেলিভিশনের পর্দা বাধ সাধলো। কেন্দ্র দখল, বিরোধী পক্ষের পোলিং এজেন্ট বের করে দেয়াসহ ভোটের নানা জালিয়াতি, অনিয়ম ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসায়িত করলো।

দুপুর গড়ানোর আগেই নির্বাচন বয়কট করলো বিএনপি সমর্থক প্রার্থীরা। তাতে অনিয়ম-জালিয়াতির সমীকরণ আরো সরল হয়ে গেল। নির্ধারিত ফলাফল নিয়ে ভোটার কিংবা দেশোবাসীর আকর্ষণ রইলোনা। নির্বাচনী সংস্কৃতি আর ব্যবস্থাপনার ক্ষত আরো গভীর হয়ে গেল। দেশী-বিদেশী সংস্থাগুলো বিবৃতিতে নির্বাচনের সমালোচনা এবং অনিয়ম তদন্তের তাগিদ দিলো।

তাহলে কি আমরা আবারো পিছিয়ে পড়লাম! তিন মাস সহিংসতার পর নির্বাচনী প্রচারনার যে উৎসব শুরু হয়েছিল ভোটের দিন এসে তা অপূর্ণই রয়ে গেলো। বার বার এসব ঘটনার মাধ্যমে সংকট আর আস্থাহীনতার তলানীতে কি হারিয়ে যাচ্ছেনা আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া!

নিউজ পেজচ২৪/একস