অক্টোবর ৫, ২০১৫, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

তিস্তার চরে এল এক দারুণ হাতি

নিউজপেজ ডেস্ক

এল এক দারুণ হাতি তিস্তার চরে। তবে এপার অর্থাৎ বাংলাদেশের তিস্তা নয়, ওপারের তিস্তায়। এল ভেসে ভেসে। নড়াচড়া নেই। ঠায় দাঁড়িয়ে কাশবনের পাশে ধান খেতে। তবে জ্যান্ত নয়। দূর থেকে মনে হয় শুঁড় নামিয়ে ধান খেতে দাঁড়িয়ে আছে বুনো হাতি।

এল ভেসে ভেসে বলার অর্থ হচ্ছে, নদীর পানিতে ভেসে আসা গাছের ডালের টুকরো দিয়ে তৈরি। তিস্তার পানিতে ভেসে আসা টুকরো গাছের ডাল করাত, বাটাল ও হাতুরি দিয়ে একের পর এক গেঁথে তৈরি করা হয়েছে বিরাট এই হাতি। বড় দুটি কান, শুঁড়, লেজ- নিখুঁত হাতের কাজ। ১১ ফুট উঁচু হাতিটি গড়া হয়েছে মাত্র ষোল ঘণ্টার পরিশ্রমে।

এগারো ফুট উঁচু হাতিটি গড়তে দুই টন টুকরো গাছের ডাল লেগেছে। সেগুলি গাঁথা হয়েছে ৫৫ কেজি কাঁটা-তার দিয়ে। নিখুঁত হাতিটি তৈরি করেছেন ভাস্কর বিশ্বজিৎ ঘোষ।

পর্যটক টানতে এবং বন্যপ্রাণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে ‘সৃষ্টি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে হাতিটি নির্মিত। রোববার ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ওয়েলফেয়ার ডে’ উপলক্ষে উত্তরবঙ্গের বনপাল তাপস দাস ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন।

জলপাইগুড়ি শহরের জুবুলি পার্ক এলাকায় নজরে পড়বে হাতিটি। নদী চরে কাঠের টুকরো দিয়ে হাতির মূর্তি তৈরির কারণ সম্পর্কে ‘সৃষ্টি’ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, জুবুলি পার্ক এলাকায় পর্যটকরা বেড়াতে আসেন। অনেকে নৌকা বিহার করেন। আকর্ষণীয় আরও কিছু থাকলে ভিড় বাড়বে চিন্তা করেই এই উদ্যোগ।
তথসূত্র : আনন্দবাজার অনলাইন

নিউজ পেজ২৪/আরএস