মিডিয়া

জানুয়ারী ২০, ২০১৬, ৮:২৭ অপরাহ্ন

নিশো এলে একুশে ছাড়বেন ৩০ জন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর কথা। ‘কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সবকিছু চূড়ান্ত, হাতে পেয়েছেন নিয়োগপত্র। নতুন বছরে অনুষ্ঠান প্রধান হিসেবে যোগ দিচ্ছেন একুশে টেলিভিশনে। গণমাধ্যমে সেই খবর ফলাও করে প্রকাশ হয়। ১ জানুয়ারি থেকে যোগদান করার কথা থাকলেও যোগদান করা হয়নি তার।

জানা গেছে, একুশে টিভি কর্তৃপক্ষ নেয়নি তাকে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে , একুশে টেলিভিশনে ফারহানা নিশো’র যোগদান নিয়ে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে গেল ৯ তারিখ পর্যন্ত একরকম স্নায়ুযুদ্ধ চলেছে একুশে দফতরে। যুদ্ধটি এমন- একজন নিশো যোগ দিলে চাকরি ছাড়বেন টিভি চ্যানেলটির অন্তত ৩০ জন কর্মী! ছোট পর্দার এ মিষ্টি মুখের কি এমন অপরাধ? কেন তাকে ঠেকাতে এত ‘ইন হাউজ’ প্রতিরোধ?

একুশের এক শীর্ষ কর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কারণ তো অনেক আছে। সেসব ভেঙে বলার দরকার নেই। তার সঙ্গে আমাদের তো সরাসরি কোনও শত্রুতা নেই। শুধু এটুকু বলছি, আমরা আসলে তার অতীত এবং বর্তমান জীবনের কিছু নেতিবাচক বিষয় প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে তুলে ধরেছি। বোঝানোর চেষ্টা করেছি, এসব কারণে নিশো এখানে যোগ দিলে প্রতিষ্ঠানের লাভের চেয়ে ক্ষতিটাই বেশি হবে। যা আমরা চাই না।’

সূত্র জানায়, সব বিশ্লেষণ শেষে একুশে টিভির চেয়ারম্যান এস আলম নিজেও সংখ্যা গরিষ্ঠের দিকে ঝুঁকেন। প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্তাদের নিয়ে তিনি রুদ্ধদ্বার এক বৈঠক করেন এ নিয়ে। এর পরই গেল ৯ জানুয়ারি ফারহানা নিশোর একুশে টিভির নিয়োগপত্র প্রত্যাহার করে নেয় কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে নিশো বলেন, ‘জয়েনিং বাতিলের খবরটি সত্য নয়। কারণ, আমি অপেক্ষায় আছি চেয়ারম্যান স্যারের।’

নিশো না জানলেও সুস্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য রয়েছে তার নিয়োগপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন একুশে কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, ফারহানা নিশো সর্বশেষ যমুনা টিভিতে সিনিয়র সংবাদ উপস্থাপক ও জেষ্ঠ্য বার্তা সম্পাদক এবং গাজী টিভিতে ‘আজকের অনন্যা’ অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছিলেন। ২০০৩ সালে এনটিভিতে সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু হলেও মাঝে গ্রামীণফোনের টেকনিক্যাল ডিভিশন ও ওয়ারিদ টেলিকমে প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগে কাজ করেন বেশ কিছুদিন।


নিউজপেজ/ইএইচএম