স্বাস্থ্য

এপ্রিল ২৯, ২০১৭, ৪:৩০ অপরাহ্ন

এ সময়ে কেমন খাবার খাবেন

নিউজপেজ ডেস্ক

দিনপঞ্জিকায় এখন শরৎকাল। কিন্তু ভ্যাপসা একটা গরম এখনো আছে। এ সময়ে খাবার এমন হওয়া উচিত, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। যেহেতু এ সময় ঘাম বেশি হয়, সে জন্য খাদ্যতালিকায় প্রথমেই পানির কথা চিন্তা করতে হবে। এ কারণে খাওয়ার পানি ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের শরবত খেতে পারেন। দিনে দুই থেকে তিন লিটার পর্যন্ত পানি পান করতে হবে। পানি শরীরকে পরিশোধন করে। এ ছাড়া পাতলা ঝোলের তরকারি, পাতলা ডাল ভালো। পানিযুক্ত ফল, ফলের রস ও সবজিকে প্রাধান্য দিতে হবে।

লবণ সোডিয়ামের ঘাটতি মেটাবে এবং লেবু পটাশিয়ামের ঘাটতি মিটিয়ে শরীরকে ঠান্ডা রাখবে। গরমের সময় পানিশূন্যতা বা পানিস্বল্পতা এবং ইউটিআই (প্রস্রাবের সংক্রমণ) থেকে বাঁচার জন্য ডাব খুব কার্যকর। ডাবের পানি শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং নিয়মিত প্রস্রাব নিষ্কাশনে সাহায্য করে কিডনিকে ভালো রাখে। স্বাস্থ্যকর পানীয় এটি।

যাঁরা চা খুব পছন্দ করেন, তাঁরা হালকা লিকারের সঙ্গে লেবুর রস দিয়ে খেলে উপকার পাবেন। তেঁতুলের পাতলা রস চিনি মিশিয়ে খেলে তৃষ্ণা নিবারণ হয়। পটাশিয়ামের কারণে তেঁতুলের শরবত শরীরকে ঠান্ডা রাখে।
অনেকে মনে করেন গরমের দিনে মাছ-মাংস-ডিম একেবারে খাওয়া উচিত নয়। বাচ্চাদেরও এসব খাবার খেতে দেন না। পেট খারাপ বা বদহজমের ভয়ে। এটা ঠিক নয়। সব ঋতুতেই সুষম খাবার খেতে হবে। তা না হলে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হবে। এসব খাবারে বেশি তেল-মসলা না দিলেই হলো। গরমে তেল-মসলা যত কম হয়, তত ভালো।

ঠান্ডা সালাদ এ সময়ে রুচিকর খাবার। সালাদের উপকরণের মধ্যে শসা, কাঁচা পেঁয়াজ, টকদই হজমকারক। কাঁচা পেঁয়াজ সূর্যের তাপে শরীর গরম হয়ে খারাপ লাগা থেকে বাঁচায়। টক ও তিতা এই দুটি স্বাদযুক্ত খাবারের প্রতি গরমের সময় আকৃষ্ট হয়। কারণ, এই খাবারগুলো মুখের রুচি বাড়ায়।

প্রাতরাশে পরোটা ডিমভাজা বা মাংস না রেখে, চিড়া-কলা, দই, সেদ্ধ ডিম, পাউরুটি, জেলি, কর্নফ্লেক্স খেতে পারেন। দুধ-মুড়ি, নরম পাতলা খিচুড়ি, সেদ্ধ আটার রুটি, চালের গুঁড়ার রুটি রাখা যেতে পারে।
প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান, পুষ্টি বিভাগ, বারডেম


নিউজপেজ২৪/ এ বি