আইন আদালত

এপ্রিল ৩০, ২০১৭, ৭:৩৫ অপরাহ্ন

এমপি লিটন হত্যা মামলায় কর্নেল কাদেরকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংসদ মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আবদুল কাদের খানসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে রোববার বিকেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। ঘটনার দীর্ঘ ৪ মাস পর গাইবান্ধার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মইনুল হাসান ইউসুফের আদালতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সুন্দরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হায়দার আশরাফুজ্জামান এই অভিযোগপত্র জমা দেন।
অভিযুক্ত অপর ৭ জন হলেন, মেহেদী হাসান, শাহীন মিয়া, আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে রানা, আবদুল হান্নান, প্রধান সহযোগি চন্দন কুমার সরকার, সাবেক সাংসদ কাদের খানের এপিএস শামসুজ্জোহা ও সুবল কসাই। এদের মধ্যে চন্দন কুমার সরকার পলাতক রয়েছেন। অন্যরা আসামিরা বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন।
মেহেদী হাসান, শাহিন মিয়া ও আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে রানার বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের উত্তর সমস কবিরাজটারি গ্রামে। চন্দন সরকার ও সুবল কসাইয়ের বাড়ি একই উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমত গ্রামে এবং শামসুজ্জোহার বাড়ি ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টায় সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান মুঠোফোনে জানান, সাংসদ মনজুরুল হত্যা মামলায় কাদের খানসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে রোববার বিকেল পাঁচটায় গাইবান্ধার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
গেলো বছরের ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় সাংসদ মনজুরুল ইসলাম লিটন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামের নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। পরদিন মনজুরুল ইসলামের বড়বোন ফাহমিদা বুলবুল বাদি হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
২১ ফেব্রয়ারি আবদুল কাদের খানকে বগুড়া শহরের রহমান নগরের গরীব শাহ ক্লিনিকের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে থাকা অবস্থায় ২৫ ফেব্রুয়ারি সাংসদ মনজুরুল ইসলামকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন আবদুল কাদের খান। এ ছাড়া হত্যায় অংশ নেওয়া মেহেদী হাসান, শাহিন মিয়া ও আনোয়ারুল ইসলাম ওরফে রানাও আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন।





নিউজপেজ২৪/ এন এ