রাজনীতি

জুলাই ৬, ২০১৭, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

১০ ইস্যুতে সুশীলদের সঙ্গে ইসির সংলাপ ৩০ জুলাই

নিউজপেজ ডেস্ক

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে চলতি মাসেই সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসি সংলাপে বসবে। এতে ১০টি বিষয়ে আলোচনা হবে। এর বাইরেও মতামত এলে তা গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে আমন্ত্রিতদের একটি প্রাথমিক তালিকা করেছে ইসি সচিবালয়। ইসির অনুমোদন পেলে আগামী সপ্তাহে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে।

ইসি সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আমাদের সময়কে বলেন, ৩০ জুলাই থেকে সংলাপ শুরু হবে। প্রথমে সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপ হবে। সংলাপে কাদের কাদের দাওয়াত দেওয়া হবে সে ব্যাপারে ইসি সচিবালয়ের ওপর দায়িত্ব দিয়েছে কমিশন। তিনি বলেন, আগে যাদের সঙ্গে সংলাপ হয়েছিল, সেই অনুযায়ী তালিকা নির্ধারণ করা হবে। তবে কিছু সংযোজন-বিয়োজন থাকবে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

ইসি সূত্র জানায়, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রিত অতিথিদের একটি খসড়া তালিকা তৈরি করেছে ইসি সচিবালয়। তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন সাবেক বিচারপতি আব্দুর রশিদ, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এসএমএ ফায়েজ, অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, এম হাফিজউদ্দিন খান, ড. আকবর আলী খান, অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক ও সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) নুরুল হুদা।

ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, ১০টি বিষয়ের ওপর সুশীল সমাজের আমন্ত্রিত প্রতিনিধিদের কাছ থেকে মতামত চাইবে ইসি। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিধিমালা সংশোধন; গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২, বিদ্যমান ইংরেজি আইনটি বাংলায় রূপান্তর ও এর প্রয়োজনীয় ধারা সংশোধন; নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ অধ্যাদেশ-১৯৭৬, বিদ্যমান ইংরেজি আইনটি বাংলায় রূপান্তর ও প্রয়োজনীয় সংশোধন; প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত ও সহজীকরণ; মার্কা ছাড়া ব্যালট পেপার প্রবর্তন (আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নয়); নির্বাচনী দায়িত্বে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া; প্রার্থীদের মনোনীত পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তা; ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব ও ভূমিকা এবং নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও ভূমিকা।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, সর্বোচ্চ ২০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। কমিশন সভায় আমন্ত্রিতদের সংখ্যা ও নাম চূড়ান্ত হবে। এর পরই তাদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর কাজ শুরু হবে। তারা জানান, ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে প্রথম সংলাপের পর আগস্টে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসবে ইসি। পর্যায়ক্রমে গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গেও বসার পরিকল্পনা রয়েছে।


নিউজপেজ২৪/ এ বি