জাতীয়

জুলাই ২৩, ২০১৭, ১:৫১ অপরাহ্ন

এইচএসসিতে পাসের হার ৬৮.৯১ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

রোববার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার পর গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানরা।

সারা দেশে গড় পাসের হার ৬৮.৯১ শতাংশ এবং মোট জিপিএ -৫ পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৬ জন। মাদ্রাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৭.২০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৮১৫ জন। কারিগরী শিক্ষা বোর্ডে ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬৯ জন। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এর মধ্যে দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪৪ শাতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৮৭ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৭১.৩০ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ২৯৪ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭০.২৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৬১.০৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩৯১ জন, সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭০০জন।

SPampnbsp;এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন।

গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জানান, দুপুর দেড়টার সময় নিজ নিজ কেন্দ্র/প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন।

গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জানান, দুপুর দেড়টার সময় নিজ নিজ কেন্দ্র/প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.dhakaeducationboard.gov.bd) কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে হবে।


এছাড়া www.educationboard.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN এর মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট পাওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ই-মেইলে কেন্দ্র/প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিটের সফটকপিও পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।

তবে কেবল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলের হার্ডকপি সরবরাহ করা হবে না।

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ এপ্রিল। তত্ত্বীয় (লিখিত) পরীক্ষা শেষ হয় ১৫ মে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৬ মে শুরু হয়ে শেষ হয় ২৫ মে। আগামী ২৪ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষার শেষের ৬০ দিন পূর্ণ হবে।

এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নেন।

চলতি বছর এইচএসসিতে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে নয় লাখ ৮২ হাজার ৭৮৩ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ৯৯ হাজার ৩২০ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বিএম-এ ৯৬ হাজার ৯১৪ জন এবং ডিআইবিএসে চার হাজার ৬৬৯ জন পরীক্ষায় বসেন।

গত বছরের তুলনায় ৩৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্র ৪৫টি বাড়লেও পরীক্ষার্থী কমেছে ৩৪ হাজার ৯৪২ জন। গত বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন।

এবার অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ছয় লাখ ৩৫ হাজার ৬৯৭ জন এবং ছাত্রী পাঁচ লাখ ৪৭ হাজার ৯৮৯ জন।

আট হাজার ৮৬৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দুই হাজার ৪৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এবার বিদেশের সাতটি কেন্দ্রে ২৭১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।